বাংলাদেশের লাখো মানুষের কাছে হাঁপানি বা এ্যাজমা একটি মারাত্মক ও যন্ত্রণাদায়ক ব্যাধি। এদেশের প্রায় ৬০-৭০ লাখ লোক এ রোগে আক্রান্ত। অনেকেই ধারণা করে থাকেন যে, হাঁপানী বা এ্যাজমার কোন নির্দিষ্ট চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই, যে সকল ওষুধ ব্যবহার করা হয় তার দ্বারা হাঁপানীর উপসর্গের প্রকোপ বৃদ্ধিতে বাঁধা দেয়া যায় মাত্র, ঔষধ সেবন বন্ধা করে দিলেই সে উপসর্গ আবার দেখা দেয়। বর্তমানে এ ধারণাটি ভুল, কারণ বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে বর্তমানে শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানীর অনেক অত্যাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এ রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব নয়, তবে যথোপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে হাঁপানী নিয়ন্ত্রণে রেখে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব। হাঁপানী রোগীদের সাধারণত দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থার আওতায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হয়। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় এ্যাজমা রোগীদেরকে মুখে খাবার ঔষুধের চেয়ে ইনহেলার বেশি ব্যবহার করতে দেয়া হয়। কারণ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, কম পরিমাণ ঔষুধ লাগে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এটা সঠিক নিয়মে ব্যবহার করলে খুব দ্রুত শ্বাসকষ্টের পরিমাণ কমে যায়।
Showing posts with label হাঁপানি ও শ্বাসকষ্ট. Show all posts
Showing posts with label হাঁপানি ও শ্বাসকষ্ট. Show all posts
Sunday, December 1, 2013
হাঁপানি রোগীদের জন্য দশটি সতর্কতা
অ্যাজমা বা হাঁপানি হলো শ্বাসতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ। এতে আক্রান্ত রোগীর শ্বাসপথ দেহের ভেতরের বা বাইরের অ্যালার্জেন বা অ্যালার্জেনসম পদার্থের প্রতি অত্যধিক মাত্রায় সংবেদনশীলতা প্রদর্শনপূর্বক অনেক সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে এবং শ্বাসপথের সঙ্কোচনের সময়ের ব্যাপ্তি হয় স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। ফলে আক্রান্ত রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় শ্বাসপথ দিয়ে বায়ুর স্বাভাবিক আসা-যাওয়া ব্যাহত হয়। পরিণতিতে আক্রান্ত রোগী কাশি, শ্বাসকষ্ট, স্বশব্দে কষ্টসহকারে শ্বাস নেয়া, বুকে চাপসহ নানা উপসর্গে ভুগে থাকেন।
বিংশ শতকের গোড়া থেকেই পৃথিবীতে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বর্তমানে পৃথিবীব্যাপী প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। এই হাঁপানিজনিত শ্বাসকষ্টের কারণে বাড়িতে বা হাসপাতালে অবস্থান, স্কুল-কলেজসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা পেশাগত ক্ষেত্রে রোগীর সংশ্লিষ্ট কর্মস্থলে বিভিন্ন মেয়াদে অনুপস্থিতি, সর্বোপরি এই রোগে বহু রোগীর অকাল মৃত্যুতে আমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ওপর হাঁপানির প্রভাব অত্যন্ত মারাত্মক বলে স্বীকৃত।
অথচ একটু সচেতন হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক নিয়মিত ও উপযুক্ত মাত্রায় ওষুধ সেবনের পাশাপাশি কিছু সতর্কতামূলক পরামর্শ গ্রহণ ও তা মেনে চলার মাধ্যমে হাঁপানি রোগ পুরোপুরি নিরাময় করা না গেলেও তা সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
নিম্নে হাঁপানি রোগীদের জন্য হাঁপানির যথাযথ নিয়ন্ত্রণকল্পে ১০টি সতর্কতামূলক পরামর্শ দেয়া হলো:
বিংশ শতকের গোড়া থেকেই পৃথিবীতে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বর্তমানে পৃথিবীব্যাপী প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। এই হাঁপানিজনিত শ্বাসকষ্টের কারণে বাড়িতে বা হাসপাতালে অবস্থান, স্কুল-কলেজসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা পেশাগত ক্ষেত্রে রোগীর সংশ্লিষ্ট কর্মস্থলে বিভিন্ন মেয়াদে অনুপস্থিতি, সর্বোপরি এই রোগে বহু রোগীর অকাল মৃত্যুতে আমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ওপর হাঁপানির প্রভাব অত্যন্ত মারাত্মক বলে স্বীকৃত।
অথচ একটু সচেতন হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক নিয়মিত ও উপযুক্ত মাত্রায় ওষুধ সেবনের পাশাপাশি কিছু সতর্কতামূলক পরামর্শ গ্রহণ ও তা মেনে চলার মাধ্যমে হাঁপানি রোগ পুরোপুরি নিরাময় করা না গেলেও তা সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
নিম্নে হাঁপানি রোগীদের জন্য হাঁপানির যথাযথ নিয়ন্ত্রণকল্পে ১০টি সতর্কতামূলক পরামর্শ দেয়া হলো:
- ধুলাবালি ও ঠাণ্ডা এড়িয়ে চলুন: ধুলাবালি ও ঠাণ্ডা হাঁপানি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে স্বীকৃত। কাজেই হাঁপানি রোগীরা রাস্তাঘাটে চলার সময় মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন। সেই সাথে ঠাণ্ডা এড়িয়ে চলার পাশাপাশি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সর্দিকাশির যথাযথ চিকিৎসা নিন।
এই সময়ে হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও কিছু পরামর্শ
হাঁপানি রোগীদের জন্য এই সময়টা সবচেয়ে খারাপ। শীত আসি আসি করছে, বাতাসে উড়ছে প্রচুর ধুলাবালু, পরিবেশের তাপমাত্রা পাল্টাচ্ছে ঘন ঘন আর চারদিকে বাড়ছে ভাইরাস সংক্রমণের প্রকোপ—এই সব কটিই হাঁপানির আকস্মিক আক্রমণের জন্য আদর্শ। এ বিষয়ে লিখেছেন ডা. মৌসুমী মরিয়ম সুলতানা।
হাঁপানি কেন হয়?
বিশেষ কোনো পদার্থের প্রতি শ্বাসতন্ত্রের অতি সংবেদনশীলতা হলো হাঁপানির মূল কারণ। এটি হতে পারে ঠান্ডা হাওয়া, ধুলাবালু, সামান্য পরিশ্রম, জীবাণু, পোষা প্রাণীর লোম, ওষুধপত্র, এমনকি বাতাসে উড়তে থাকা ফুলের রেণু, তুলার কণা যেকোনো কিছু।
হাঁপানি কেন হয়?
বিশেষ কোনো পদার্থের প্রতি শ্বাসতন্ত্রের অতি সংবেদনশীলতা হলো হাঁপানির মূল কারণ। এটি হতে পারে ঠান্ডা হাওয়া, ধুলাবালু, সামান্য পরিশ্রম, জীবাণু, পোষা প্রাণীর লোম, ওষুধপত্র, এমনকি বাতাসে উড়তে থাকা ফুলের রেণু, তুলার কণা যেকোনো কিছু।
Subscribe to:
Posts (Atom)


