Pages

Showing posts with label জেনে রাখা ভালো. Show all posts
Showing posts with label জেনে রাখা ভালো. Show all posts

Sunday, January 12, 2014

শিমের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

শিমের পুষ্টিগুণ
শীতকালের একটি জনপ্রিয় সবজি শিম। বাংলাদেশের প্রায় সব এলাকাতেই চাষ হয় শিমের। শিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন আর মিনারেল আছে। যাঁরা সরাসরি প্রোটিন খান না অর্থাৎ মাছ, মাংস খাওয়া হয় না, তাঁদের জন্য শিমের বিচি শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে। যাঁদের আমিষ খাওয়ায় সীমাবদ্ধতা আছে, তাঁরা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। আর এই শীতে নিয়মিত শিম খেলে ত্বকও ভালো থাকবে।

শিমের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

১।  শিমে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। কিন্তু এতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন সি, জিংক ও মিনারেল। এগুলো শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
২।  শিমের বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ ও শিমের মধ্যে থাকা খনিজ চুল পড়া রোধে সহায়তা করে এবং চুলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

Wednesday, January 8, 2014

সরিষার তেল ব্যবহারের উপকারিতা


সরিষার তেলের উপকারিতা
•    হৃদযন্ত্রের রোগের ঝুঁকি হ্রাস : সাম্প্রতিক বিভিন্ন ভোজ্য তেলের উপর করা একটি তুলনামূলক সমীক্ষায় দেখা যায় সরিষার তেল 70 শতাংশ হৃৎপিণ্ডসংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমায়। সরিষার তেল ব্যবহারে শরীরে কলেস্টেরলের মাত্রা  হ্রাস পায় যা হৃদরোগের সম্ভবনা হ্রাস করে।
•    হজম শক্তি বাড়ায় : সরিষার তেল উদ্দীপক হিসাবে পরিচিত এবং অন্ত্রে পাচক রস উত্পাদনে  সাহায্য করে, তাই হজম প্রক্রিয়া দ্রুত হয় . এছাড়াও একই প্রক্রিয়ায় আমাদের সিস্টেমে পাচক রস উৎপাদন বাড়িয়ে বাড়িয়ে ক্ষুধা সহায়তা করে।

Tuesday, January 7, 2014

শীতে ঠোঁটের যত্নে করণীয়

শুষ্ক ঠোঁট
শুষ্ক ঠোঁট
শীতের সময়ে আবহাওয়া শুষ্ক থাকে ফলে ত্বক ও ঠোঁট  হয়ে পড়ে শুষ্ক। এতে ত্বক হারায় সজীবতা। ফাটা ও অপরিষ্কার ঠোঁট নিজেরও অস্বস্তির কারণ। তাই এই সময় ত্বকের যত্নের পাশাপাশি ঠোঁটের জন্যও বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়। একটু খেয়াল রাখলে এবং সামান্য যত্ন নিলেই এ সময়ও ঠোঁট সুন্দর রাখা যায়। ঠোঁটের যত্নে কিছু পরামর্শ -


শুষ্ক ঠান্ডা থেকে দূরে থাকুন
  • শুষ্ক ঠান্ডা থেকে দূরে থাকুন। যখন ঠান্ডা বাতাস থাকে অথবা খুব তীব্র শীত পড়ে তখন প্রয়োজন না হলে ঘরের বাইরে বের না হওয়াই ভালো, ঘরেই থাকার চেষ্টা করুন।

  • বাইরে গেলে মুখের উপরিভাগে স্কার্ফ বা কোনো কাপড় ব্যবহার করতে পারেন; যাতে এটি আপনার ঠোঁটকে শীতের হাওয়া থেকে আড়াল করে রাখে।

Wednesday, January 1, 2014

সবুজ চায়ের সাস্থ্য উপকারিতা

সবুজ চায়ের সাস্থ্য উপকারিতা
সবুজ চায়ের সাস্থ্য উপকারিতা
 ত্বকের যত্নে সৌন্দর্যচর্চা খুবই গুরুত্বপূর্ণ আর লাবণ্যময় সতেজ ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী সবুজ চা এজন্যই নানা প্রসাধন সামগ্রীতে ব্যবহৃত  হয় সবুজ চায়ের নির্যাস। কারণ, সবুজ চায়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসহ বেশ কিছু স্বাস্থ্যকর পুষ্টি উপাদান রয়েছে। আসুন জেনে নেয়া যাক সবুজ চায়ের গুণাগুণ সম্পর্কে -

১। সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাবে অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যেতে পারে আপনার ত্বক। সবুজ চায়ের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর উপাদান রোধ করে যা ত্বককে অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

Monday, December 30, 2013

জলপাইয়ের সাস্থ্য উপকারিতা

জলপাইয়ের সাস্থ্য উপকারিতা
জলপাইয়ের সাস্থ্য উপকারিতা : জলপাই শীতকালীন মৌসুমি ফল । টক স্বাদের এই ফলটি আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয়। কাঁচা ফল তো বটেই জলপাইয়ের চাটনি বা আচারও সকলের পছন্দ। জলপাই ফল হিসেবে যেমন চমত্‍কার, তেমনি গুণেও অনন্য। জলপাইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা চোখ ওঠা, চোখের পাতায় ইনফেকশন সারাতে সাহায্য করে থাকে। জলপাই ত্বকের ক্ষত দ্রুত সারাতেও  সাহায্য করে থাকে। জলপাইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও ফোলেট যা রক্তের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, রক্তকে তরল রাখে ও হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। জলপাইয়ের যে খাদ্যআঁশ আছে তা পরিপাক ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। জলপাইয়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে ও ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে।

Thursday, December 26, 2013

একটানা দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার ব্যবহার করলে যে সমস্যাগুলো হতে পারে


একটানা দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার ব্যবহার করলে যে সমস্যাগুলো হতে পারে
একটানা দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার ব্যবহার করলে যে সমস্যাগুলো হতে পারে
অনেকেই একটানা ঘণ্টার পর  ঘণ্টা কম্পিউটারে বসে কাজ করে থাকেন কিন্তু আপনি কি জানেন? দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে বসে থাকা ধুমপানের মতই ক্ষতিকর। আসলে শুধু কম্পিউটার নয় বসে থাকাটা এমনিতেই দেহের জন্য খুব ক্ষতিকর। গবেষকরা জানিয়েছেন, দিনের বেশিরভাগ সময় বসে কাটালে হৃদযন্ত্রের সমস্যার কারণে মৃত্যু হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে। এছাড়াও ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের মতো রোগগুলোর সংক্রমণ বাড়তে পারে। এমনকি কোলেস্টরলও বেড়ে যেতে পারে। তাই বাসার টিভির সামনে কিংবা অফিসে বা বাসায় কম্পিউটারের সামনে কতক্ষণ বসে আছেন তা হিসেব রাখুন। বার বার উঠুন তবে কাজের ক্ষতি করে নয়। মাঝে মাঝে ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়ামও করতে পারেন।

Sunday, December 22, 2013

স্বাস্থ্য সমস্যা বুঝতে, ত্বকের রঙ

স্বাস্থ্য সমস্যা বুঝতে, ত্বকের রঙ
নিজের স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা বুঝতে নজর রাখতে পারেন ত্বকের রংয়ের উপর। জিহ্বা, হাত ও পায়ের তালু, নখ ও ত্বকের রঙে ফুটে উঠে ত্বকের ক্যান্সার, ডায়বেটিস, পরিপাকতন্ত্রসহ নানান জটিল রোগের লক্ষণ।


ত্বকের রং সাদা হওয়া
ত্বকের রং সাদা হওয়া

ত্বকের রং সাদা হওয়া : সাধারণত মেলানিনের অভাবে শরীরের ত্বক সাদা হয়ে যায়। মেলানিনের পরিমাণ কমে যাওয়াটা শরীরের জন্য খুব একটা ক্ষতিকর নয়। তবে মেলানিনের অভাবে যখন শরীরে কোষ তৈরির হার কমে যায়, তখন ত্বকের রং সাদা হয়ে পড়ে। পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টির জন্যও এই মেলানিন দায়ী। এমনকি দেহের বিভিন্ন কোষ যখন ভুল করে অন্য কোষকে খেয়ে ফেলে তখনও ত্বকের রং সাদা হতে পারে। তাই শরীরে মেলানিনের উপস্থিতি বাড়াতে অবশ্যই সূর্যস্নান করা উচিত।

Saturday, December 21, 2013

কিভাবে পায়ের দুর্গন্ধ প্রতিরোধ করা যাবে?

শীতকালে কমবেশি সকলেই আমরা জুতা পরিধান করি। দীর্ঘ সময় জুতা পরিধান করার ফলে অনেকের পায়ে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। আসুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে পায়ের দুর্গন্ধ প্রতিরোধ করবেন -

সঠিক ধরনের জুতা বাছাই
সঠিক ধরনের জুতা বাছাই করতে হবে

১। পরিধান করার জন্য সঠিক ধরনের জুতা বাছাই করতে হবে। যে সব জুতার মধ্যে দিয়া বাতাস বের হতে পারে সেই ধরনের জুতা বাছাই করুন। প্লাস্টিক এর জুতা পরিধান করা থেকে বিরত থাকুন এবং চামড়ার জুতা ক্রয় করে পরিধান করার চেষ্টা করুন। চামড়ার জুতা আপনার পায়ের জন্য  কিছু বাতাস পেতে সাহায্য করবে। প্লাস্টিক জুতা বায়ু প্রবাহ সীমিত করে।


নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে
পা নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে
২। পা নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। প্রতিদিন এক গামলা পানিতে দু-তিনটি পটাশিয়ামের দানা দিয়ে হালকা বেগুনি রঙের দ্রবণ তৈরি করে এর মধ্যে ১৫ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখতে পারেন। তাহলে আর পায়ে দুর্গন্ধ থাকবে না।

Tuesday, December 17, 2013

চালতার পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

চালতা
চালতা
চালতার পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা - চালতার দাম কম ও সহজলভ্য হওয়ায় কম-বেশি সকলেই এটি পছন্দ করে। চালতা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের আচার তৈরী করা হয় যা সবারই কম-বেশি পছন্দ। আবার এই ফলে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। চালতায় আছে ক্যালসিয়াম, শর্করা, আমিষের মতো প্রয়োজনীয় উপাদান। এ ছাড়াও আছে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, থায়ামিন ও রিবোফ্লাবিন। তাই চালতা শরীরে যেমন রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে, তেমনি পুষ্টি পূরণেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। আসুন, জেনে নিয়া যাক চালতার বিভিন্ন পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে -
চালতার আচার
চালতার আচার

১। চালতা হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ডায়রিয়া ও বদহজমে চালতা খান, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।
২। অন্ত্রে বাসা বাঁধা কৃমির বিরুদ্ধে লড়ার এক অসাধারণ ক্ষমতা আছে চালতার।
৩। পাকস্থলীতে যাদের আলসার আছে, তাদের জন্য দাওয়াই হতে পারে চালতা।

Monday, December 16, 2013

কাটা বা পোড়ায় ঘরওয়া টিপস

তরকারি কাটা
কাটা বা পোড়ায় ঘরওয়া টিপস - আমাদের দৈনন্দিন জীবনে টুকিটাকি বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হয়। যেমন - তরকারি কুটতে হবে, মাছ কিংবা মাংস কাটার ব্যাপার আছে, চুলা জ্বালাতে হবে। আরও কত কী। দৈনন্দিন এই কাজগুলো করতে গিয়ে একটু অসাবধান হলেই কিন্তু বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এই যেমন মাছ, মাংস কিংবা তরকারি কাটাকাটির কথাই ধরুন না কেন, এগুলো কাটতে গিয়ে অসাবধানতাবশত কেটে যেতে পারে হাত। আবার চুলা জ্বালাতে গিয়ে হাত পুড়িয়েও ফেলাটা বিচিত্র কিছু নয়। বাড়ির এসব টুকিটাকি দুর্ঘটনায় কী করতে হবে?

আসুন জেনে নেয়া যাক এ বিষয় এ কিছু ঘরওয়া টিপস -

কেটে গেলে যা করতে হবে-
কেটে গেলে যা করতে হবে
কেটে গেলে যা করতে হবে


অল্প কেটে গেলে ঘাবড়াবার কিছু নেই। যদি কাটা স্থান থেকে অল্প অল্প করে রক্ত বের হতে থাকে তবে অন্য হাত দিয়ে ক্ষতস্থানের ওপরে খানিকটা সময় চেপে ধরে রাখুন, রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যাবে। এ ছাড়াও যা করতে হবে, তা হলো-

১।  কাটা স্থান দ্রুত পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন।
২।  ক্ষত যদি হাতে হয় তবে হাতটি উঁচু করে রাখুন এতে তাড়াতাড়ি রক্ত পড়া বন্ধ হবে।
৩।  জীবাণুনাশক কোনো তরল (যেমন - ডেটল )দিয়ে কাটা স্থান ধুয়ে দিন।

পানিফলের ঔষধি ও পুষ্টিগুণ!

পানিফল
পানিফল একটি বর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ। পানিফল কাঁচা এবং সেদ্ধ দুভাবেই খাওয়া যায়। পুরু খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের শাঁসটি খেতে হয়। পানিফলের ব্যাপক পুষ্টিগুণ রয়েছে যা শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ, শরীর গঠন, রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।



পানিফলের ঔষধি ও পুষ্টিগুণ!
পানিফলের প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য অংশে নিম্নরূপ খাদ্য উপাদান রয়েছে -
  • খাদ্যশক্তি- ৬৫ কিলোক্যালরি
  • জলীয় অংশ- ৮৪.৯ গ্রাম
  • খনিজ পদার্থ- ০.৯ গ্রাম
  • খাদ্যআঁশ- ১.৬ গ্রাম
  • আমিষ- ২.৫ গ্রাম
  • চর্বি- ০.৯ গ্রাম
  • শর্করা- ১১.৭ গ্রাম
  • ক্যালসিয়াম- ১০ মিলিগ্রাম
  • আয়রন- ০.৮ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন বি১- ০.১৮ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন বি২- ০.০৫ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন সি- ১৫ মিলিগ্রাম

আলু খাওয়ার ৫ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

আলু খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা

আলু খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক হওয়ার কারণে খুব কম মানুষই আছেন যারা আলু খেতে পছন্দ করেন না। দামে সস্তা ও সহজলভ্য হওয়ার কারণে সব শ্রেণির মানুষের কাছেই এটি একটি পছন্দের সবজি। আলুর পুষ্টিগুণও অনেক আছে। প্রতি ১০০ গ্রাম আলুতে প্রায় ৯৬ কিলোক্যালরি আছে। আলুতে অল্প পরিমাণে ভিটামিন 'A', 'B' ও 'C' আছে। এছাড়াও আলুর খোসাতে আছে ভিটামিন 'A', পটাশিয়াম, আয়রন, অ্যান্টি-অক্সাইড, ফাইবারসহ প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট।




আসুন জেনে নেয়া যাক আলুর ৫ টি  স্বাস্থ্য উপকারিতা।

১. আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'সি' আছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। একটি মধ্যম আকৃতির (১৫০গ্রাম) আলুর ত্বকে প্রায় ২৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন 'সি' আছে। এছাড়া আলুতে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি, ফলেট ও আয়রন আছে।

২. প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে আলু খাওয়া অনেক উপকারী কারণ এতে  রক্তচাপ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তবে মনে রাখতে হবে অতিরিক্ত আলু খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং শরীর মুটিয়ে যায়।

Saturday, December 14, 2013

কানে তালা কি, কেন হয়?এবং কিছু করণীয়

কানে তালা কি, কেন হয়?
শীতে ঠান্ডা লেগে অনেক সময় হাঁচি ও সর্দিকাশির সঙ্গে কানে তালা লাগার ঘটনাও ঘটে থাকে। কানে তালা লাগা বলতে কান বন্ধ হয়ে থাকা, কিছু না শোনা বুঝায়। অনেক সময় ব্যথাও হতে পারে। এ বিষয়টি আবার একেবারে হালকাও নয়। এ থেকে মধ্যকর্ণে অর্থাৎ কানের পর্দার ভেতরের দিকে প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে।

 
সাধারণত এ সমস্যা কাদের হতে পারে?

সাধারণত শিশুরা এ সমস্যায় বেশি ভুগে থাকে। এ ছাড়া যাদের ঘনঘন ঊর্ধ্বশ্বাসনালির প্রদাহ বা সংক্রমণ হয়, কাশি হয়, প্রায়ই অ্যালার্জিজনিত নাকের প্রদাহ হয় ও ক্রনিক টনসিলের প্রদাহ আছে এমন ব্যক্তিদেরও ঝুঁকি বেশি। শিশুদের ক্ষেত্রে এডিনয়েড নামক লসিকা কোষগুচ্ছের আকার অতিশয় বেড়ে গেলেও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

Wednesday, December 11, 2013

ভিটামিন বেশি খাওয়া কি নিরাপদ?

বর্তমান উন্নত বিশ্বের প্রায় ৮২ শতাংশ বয়স্ক নারী-পুরুষ বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন সম্পূরক বা বড়ি খেয়ে থাকেন। কিন্তু ভিটামিন বেশি খাওয়া কি নিরাপদ? আসুন জেনে নেয়া যাক এই বিষয় এ কিছু কথা !

ভিটামিন বেশি খাওয়া কি নিরাপদসাধারণত প্রায় সব ভিটামিনেরই একটি টক্সিক মাত্রা আছে। এই মাত্রার ওপর ভিটামিন সেবন ক্ষতিকর। সাধারণত কোনো দুর্ঘটনা ছাড়া এত বেশি মাত্রার ভিটামিন সেবন করা হয়ে ওঠে না। তার পরও শিশুদের ক্ষেত্রে অনেক সময় দুর্ঘটনাবশত অতিরিক্ত ভিটামিন খেয়ে ফেলাটা একেবারে বিরল নয়। তাই সব ধরনের ওষুধ অবশ্যই শিশুদের নাগালের বাইরে থাকতে হবে। এ ছাড়া বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁদের স্মৃতিভ্রম বা মানসিক সমস্যা আছে, তাঁরাও অনেক সময় ভুল করে অনেক বেশি মাত্রায় ভিটামিন বড়ি খেয়ে ফেলতে পারেন। দীর্ঘদিন ধরে অকারণে উচ্চমাত্রার ভিটামিন খাওয়া থেকেও বিপদ হতে পারে।

ভিটামিন এ: উচ্চমাত্রায় ভিটামিন এ সেবন গর্ভবতী নারীদের জন্য বিপজ্জনক। কেননা টক্সিক মাত্রায় ভিটামিন এ অনাগত শিশুর নানা ধরনের জন্মগত ত্রুটির কারণ হতে পারে। এ ছাড়া উচ্চমাত্রার ভিটামিন এ যকৃৎ, হাড় ও ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। দুর্ঘটনাবশত হঠাৎ বেশি ভিটামিন 'এ' খেয়ে ফেললে বমি, মাথাব্যথা, ত্বকের সমস্যা হতে পারে।

ভিটামিন বি: ভিটামিন বি কমপ্লেক্স স্নায়ু ভালো রাখতে সহায়তা বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু অতিরিক্ত ভিটামিন বি৬ নিজেই স্নায়ুর ক্ষতি করতে সক্ষম।
ভিটামিন

ভিটামিন সি: এক গ্রামের থেকে বেশি ভিটামিন সি একসঙ্গে খেয়ে ফেললে ডায়রিয়া হতে পারে। শিশুরা চুষে খাবার ভিটামিন সি লজেন্স বা চকলেট বেশি খেয়ে বিপদ ঘটাতে পারে।

ভিটামিন ডি: মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন ডি, বিশেষ করে কোলেক্যালসিফেরল রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

কিভাবে আলসারের জ্বালাতন থেকে মুক্তি পাবেন?

পাকস্থলীর ক্ষত
যখন পেটের আবরণ বা ক্ষুদ্রান্ত্র এর প্রথম অংশ ক্ষয় হতে শুরু হয় তখন পাকস্থলীর ক্ষত দেখা দেয় । সাধারণত যদি পাকস্থলীর ক্ষত নির্ণয় হয় তাহলে আপনার চিকিৎসা প্রদানকারী ব্যথা কমাতে antacids, এসিড ব্লকার বা এন্টিবায়োটিক প্রদান করে থাকে।আপনার ডাক্তার এর চিকিত্সা পরিকল্পনা ছাড়াও, আপনি ভবিষ্যতে আলসার বিস্তারণ প্রতিরোধ করতে কয়েকটি জিনিস আছে যা নিয়মিত করতে পারেন। কিভাবে আলসার এর জ্বালা এড়ানো যাবে এর জন্য, নিম্নলিখিত টিপস।


প্রদাহ বিরোধী ড্রাগ নেয়া নিরাপদ
  • কোন ধরনের প্রদাহ বিরোধী ড্রাগ নেয়া নিরাপদ তা জানতে হবে।
মদ্যপ এবং ক্যাফিনযুক্ত পানীয়ের ব্যবহার হ্রাস

  • মদ্যপ এবং ক্যাফিনযুক্ত পানীয়ের ব্যবহার হ্রাস করুন। গবেষণায় দেখা গেছে যে মদ্যপ এবং ক্যাফিনযুক্ত পানীয়ের কারণে পাকস্থলী এবং অন্ত্রের আবরণের জ্বালাতন বেড়ে যায় যার ফলে রক্তপাত এবং প্রদাহ হতে পারে। এছাড়াও এগুলো পেটে অ্যাসিড মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি করে যার কারণে অতিরিক্ত ব্যথা এবং অম্বল হতে পারে।

Tuesday, December 10, 2013

উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা ! কি করবেন, কি করবেন না?

উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা
উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা থাকলে, বেশ কয়েকটি প্রয়োজনীয় বিষয় মেনে চলা দরকার। সম্পূর্ণ সুস্থ থাকতে হলে সুশৃঙ্খল জীবনের কোনো বিকল্প নেই। এই বিষয় এ বিশেষজ্ঞরা কিছু পরামর্শ দিচ্ছেন, যা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্তদের জন্য পালন করাটা অপরিহার্য। সে ধরনের কিছু পরামর্শ এখানে তুলে ধরা হলো:

কি করবেন :
    ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করা
  •  প্রতি মাসে কমপক্ষে একবার রক্তচাপ পরীক্ষা করানো দরকার।
  •  চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে।
  •  শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানো।
  •  প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করা।
  •  রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো।
  •  সপ্তাহে একদিন পূর্ণ বিশ্রাম নেয়া।
  •  নতুন কোন উপসর্গ দেখা দিলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া।

Monday, December 9, 2013

পানি পানে শরীরের ওজন হ্রাস পাবে

পানি পানে শরীরের ওজন হ্রাস পাবে
নিয়মিত এবং পরিমিত পানি পান করাই কখনো কখনো শরীরের ওজন কমানোর বড় হাতিয়ার হতে পারে। পানি পান করার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চললে স্বাভাবিক ওজন হ্রাস পাবে। আসুন দেখে নেয়া যাক এ সম্পর্কিত কিছু নিয়ামাবলি।

১. সারা দিনে পানি পান: দিনে পানি পান আপনাকে উচ্চ ক্যালরি সম্পন্ন খাবার যেমন কফি বা স্নাক্স এর প্রয়োজন মিটিয়ে সজীব ও প্রফুল্লতা এনে দিবে। স্নাক্স জাতীয় খাবার কম খেয়ে পানি পান করা বেশী জরুরী। প্রতিদিন কম ক্যালরি সম্পন্ন খাবার আপনাকে দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

২. খাবার আগে এক গ্লাস পানি পান !: প্রাপ্তবয়স্কদের অতিরিক্ত ওজন এবং তা কমানোর বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা যায়,প্রত্যেক খাবারের আগে যে এক গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়েছে এবং কম ক্যালরি সম্পন্ন খাবার খেয়েছে তার ওজন দ্রুত কমে গেছে।

► ক্যালরি যুক্ত খাবার গ্রহণের আগে পানি পানের অভ্যাস  প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে তরুণদের   মধ্যে বেশী কার্যকর প্রভাব ফেলেছে ।যেকোনো বয়সের কেউ যদি খাবারের আগে পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন তাহলে তার শরীরে অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পাবেনা বরং কমে যাবে।

► কিছু সমীক্ষায় দেখা যায়, প্রত্যেক খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পানের অভ্যাস শরীরকে অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত মেদ জমতে দেয় না।

কিভাবে রাত্রিতে চিন্তা ও উদ্বেগ মুক্ত একটি শান্তিপূর্ণ ঘুম?১৮ টি উপায়


কিভাবে রাত্রিতে চিন্তা ও উদ্বেগ মুক্ত শান্তিপূর্ণ ঘুম
১) সকালে তন্দ্রা অবস্থায় দীর্ঘায়িত সময়সীমার জন্য বিছানায় না থাকা
২) ঘুম আনার জন্য দীর্ঘ সময় ব্যয় করবেন না। এক ঘন্টা থেকে আধা ঘন্টার মধ্যে ঘুম পেতে অসুবিধা হলে বিছানা থেকে উঠে শয়নকক্ষ ছেড়ে অন্যান্য কাজে নিয়োজিত হওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন -  একটি বই বা উপন্যাস পড়ার চেষ্টা করুন.
৩) ঘুমোতে যাওয়ার আগে সমস্যা ও উদ্বেগ নিয়ে চিন্তা করবেন না যা ঘুম আসতে সমস্যা সৃষ্টি করবে।
৪) যে সব উদ্বেগ ও সমস্যা ঘুমের সমস্যার সৃষ্টি করে তা কাগজে লিখুন  এবং শান্তিপূর্ণ মনের সাথে বিছানায় ঘুমাতে যান।
৫) ঘুমানোর সময় কোনো বিষয় এ উদ্বেগ দেখা দিলে তা থেকে মনকে মুক্ত করার জন্য কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় বা বস্তুর উপর মনোযোগ একীভূত করতে হবে এবং তা বুঝার চেষ্টা করতে হবে।

Saturday, December 7, 2013

কমলালেবুর খোসার স্বাস্থ্য উপকারিতা!

কমলালেবু
কমলালেবু খাওয়ার পর সাধারণত আমরা এর খোসা ফেলে দিয়ে থাকি।  কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না এই কমলার খোসা পুষ্টিগুনে আপেলের খোসারই মত উপকারি। বরঞ্চ কমলার খোসা একটু বেশিই গুনাগুন সম্পন্ন। দ্য নিউ হোল ফুডস এনসাইক্লোপিডিয়া লেখিকা রেবেকা উডসের মতে, একটি মাঝারি আকৃতির কমলায় রয়েছে প্রায় ১৭০টি বিভিন্ন ধরনের ফাইটোনিউট্রিএন্টস ও ৬০টি ফ্লেভোনয়েডস যা মানুষের ত্বক, পুরো শরীরের যত্নে কাজে লাগে। এমনটি হাজারো কাজে কমলার খোসা আমাদের কাজে লাগে। অথচ আমরা না জেনেই এত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন কমলার খোসা অপচয় করি।

কমলালেবুর খোসায় রয়েছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান যা আমাদের বিভিন্ন ধরনের পেটের সমস্যা, কাশি বা অ্যাজমার সমস্যা ও লিভারের সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
  • পিত্ত সমস্যা ও কফ দূর করে - কমলার খোসার তিতকুটে রসের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য এটি কফের সমস্যা ও পিত্তের যে কোন ধরনের সমস্যা দূর করে। পাতলা করে কমলার খোসা ছিলে নিন ভেজিটেবল পিলারের সাহায্যে, যেন নিচের সাদা অংশ না আসে। কিংবা গ্রেটারে ঘষে নিন, মিহি কুচি পাবেন। এই খোসার কুচি রঙ চা তৈরির সময় দিয়ে দিন। সাথে দিন অল্প একটু আদা। একটু ফুটিয়ে আদা ও কমলার গন্ধ ছড়ালেই পান করুন চায়ের মত। সাথে দিতে পারেন মধুও। কফ ও পিত্তের সমস্যার প্রতিকার হবে।

প্রিয় মানুষকে আলিঙ্গনে স্বাস্থ্য উপকারিতা!

প্রিয় মানুষকে আলিঙ্গনে স্বাস্থ্য উপকারিতা!
যদি সকালটা শুরু করা যায় প্রিয়জনকে আলিঙ্গন করে ভেবে দেখুন তো! কেমন হতো তাহলে? দিনের শুরুতে একটি মিষ্টি আলিঙ্গন সারাদিন আপনাকে ভালোবাসায় আচ্ছন্ন করে রাখবে। আলিঙ্গনের মাধ্যমে ভালোবাসা প্রকাশ পায়, প্রিয়জনের প্রতি স্নেহ প্রকাশ করা হয়। এমনকি প্রিয়জন রেগে গেলে তার রাগ ভাঙ্গানোর সবথেকে শ্রেষ্ঠ উপায় হচ্ছে আলিঙ্গন। মা,বাবা,ভাই,বোন,প্রিয় মানুষটিকে আলিঙ্গন করার মাধ্যমে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ রাখা হয়। কিন্ত আলিঙ্গন শুধু ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ নয় এর রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। গবেষকদের মতে আলিঙ্গনের মাধ্যমে বিষণ্নতা, মানসিক চাপ, উত্তেজনা , উদ্বেগ এবং নিঃসঙ্গতা দূর হয়। আসুন জেনে নেয়া যাক আলিঙ্গনের কি কি স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।

মানসিক প্রশান্তি আনে

আলিঙ্গনের সময় ‘অক্সিটোসিন’ নামক একটি হরমোনের নিঃসরণ হয় যা বিষণ্ণতা, রাগ ও একাকীত্ব দূর করে মনে প্রশান্তি আনে। আলিঙ্গনের মাধ্যমে মানসিকভাবে মধ্যে আস্থা ও নিরাপত্তার খোঁজ পান দুজন মানুষ। এতে করে মানসিক বন্ধনের সৃষ্টি হয়। মন বুঝতে পারে যে সে একা নয়, তার সাথে অন্য কেউ আছে। তাই আলিঙ্গনে মানসিক স্বস্তি আসে।