Pages

Showing posts with label সুস্থতার জন্য. Show all posts
Showing posts with label সুস্থতার জন্য. Show all posts

Monday, December 7, 2015

বিছানায় ৫ মিনিটের ব্যায়াম দিয়ে শুরু হোক দিন

Let us start with 5 minutes of exercise a day
সকালে জেগেই নানান তাড়া। ছুটতে হবে অফিসে। তারপর সারাটা দিন যে কোন ব্যস্ততায় কেটে যাবে, তার ঠিক নেই। কিন্তু ঘুম থেকে উঠে বিছানায় শুয়ে শুয়েই যদি সেরে ফেলতে পারেন পাঁচ মিনিটের ব্যায়াম, তাতে উপকার মিলবে অনেক। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস এ রকমই উপদেশ দিচ্ছে ব্যস্ত মানুষদের:
* প্রথমে ঘুম থেকে জেগে বিছানায় শোয়া অবস্থায় দুই হাত যতটুকু সম্ভব ওপরের দিকে নিয়ে টান টান করুন। পুরো শরীরটাই এ সময় টানটান হবে। তিন-চারবার জোরে জোরে দম নিন এবং ছাড়ুন।
* ডান হাঁটু ভাঁজ করে ধীরে ধীরে বুকের কাছে নিয়ে আসুন, অন্য পা বিছানার ওপর থাকবে। ঘাড় বা মাথা টানটান করবেন না। এবার তিন-চারবার জোরে জোরে দম নিন এবং ছাড়ুন। তারপর হাঁটু সোজা করে অপর পা দিয়ে একই রকম অনুশীলন করুন।
* হাঁটুর একটু ওপরে ডান পা দুই হাত দিয়ে ধরে নিজের দিকে টানুন এবং ধীরে ধীরে ওপর দিকে সোজা করুন। এ সময় অন্য পা হাঁটু ভাঁজ অবস্থায় বিছানার ওপর থাকবে। তিন-চারবার জোরে জোরে দম নিন এবং ছাড়ুন। এবার অন্য পা দিয়ে একই ব্যায়াম করুন।
* এবার একসঙ্গে দুই হাঁটু ভাঁজ করে হাত দিয়ে চেপে ধরে বুকের কাছে টেনে আনুন। ঘাড় শক্ত না করে কয়েকবার গভীর শ্বাস নিন।
* ঘাড় পিঠ সোজা রেখে কেবল কোমর থেকে দুই পা জোড়া করে একসঙ্গে বিছানায় ডান-বাম করুন।
* এবার উঠে বিছানার পাশে বসুন। পা মাটিতে রেখে ঘাড় পিঠ সোজা করে বসুন। কোমর না বাঁকিয়ে কেবল শরীরের ওপরের অংশ প্রথমে ডানে, তারপর বামে যথাসম্ভব বাঁকান। কয়েক সেকেন্ড এই অবস্থায় থেকে জোরে জোরে শ্বাস নিন।
ব্যস, হয়ে গেল আপনার সকালবেলার ব্যায়াম। এবার আপনি সারা দিনের জন্য তৈরি।
ডা. তানজিনা হোসেন

Wednesday, January 1, 2014

সবুজ চায়ের সাস্থ্য উপকারিতা

সবুজ চায়ের সাস্থ্য উপকারিতা
সবুজ চায়ের সাস্থ্য উপকারিতা
 ত্বকের যত্নে সৌন্দর্যচর্চা খুবই গুরুত্বপূর্ণ আর লাবণ্যময় সতেজ ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী সবুজ চা এজন্যই নানা প্রসাধন সামগ্রীতে ব্যবহৃত  হয় সবুজ চায়ের নির্যাস। কারণ, সবুজ চায়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসহ বেশ কিছু স্বাস্থ্যকর পুষ্টি উপাদান রয়েছে। আসুন জেনে নেয়া যাক সবুজ চায়ের গুণাগুণ সম্পর্কে -

১। সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাবে অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যেতে পারে আপনার ত্বক। সবুজ চায়ের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর উপাদান রোধ করে যা ত্বককে অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

Monday, December 16, 2013

পানিফলের ঔষধি ও পুষ্টিগুণ!

পানিফল
পানিফল একটি বর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ। পানিফল কাঁচা এবং সেদ্ধ দুভাবেই খাওয়া যায়। পুরু খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের শাঁসটি খেতে হয়। পানিফলের ব্যাপক পুষ্টিগুণ রয়েছে যা শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ, শরীর গঠন, রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।



পানিফলের ঔষধি ও পুষ্টিগুণ!
পানিফলের প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য অংশে নিম্নরূপ খাদ্য উপাদান রয়েছে -
  • খাদ্যশক্তি- ৬৫ কিলোক্যালরি
  • জলীয় অংশ- ৮৪.৯ গ্রাম
  • খনিজ পদার্থ- ০.৯ গ্রাম
  • খাদ্যআঁশ- ১.৬ গ্রাম
  • আমিষ- ২.৫ গ্রাম
  • চর্বি- ০.৯ গ্রাম
  • শর্করা- ১১.৭ গ্রাম
  • ক্যালসিয়াম- ১০ মিলিগ্রাম
  • আয়রন- ০.৮ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন বি১- ০.১৮ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন বি২- ০.০৫ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন সি- ১৫ মিলিগ্রাম

আলু খাওয়ার ৫ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

আলু খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা

আলু খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক হওয়ার কারণে খুব কম মানুষই আছেন যারা আলু খেতে পছন্দ করেন না। দামে সস্তা ও সহজলভ্য হওয়ার কারণে সব শ্রেণির মানুষের কাছেই এটি একটি পছন্দের সবজি। আলুর পুষ্টিগুণও অনেক আছে। প্রতি ১০০ গ্রাম আলুতে প্রায় ৯৬ কিলোক্যালরি আছে। আলুতে অল্প পরিমাণে ভিটামিন 'A', 'B' ও 'C' আছে। এছাড়াও আলুর খোসাতে আছে ভিটামিন 'A', পটাশিয়াম, আয়রন, অ্যান্টি-অক্সাইড, ফাইবারসহ প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট।




আসুন জেনে নেয়া যাক আলুর ৫ টি  স্বাস্থ্য উপকারিতা।

১. আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'সি' আছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। একটি মধ্যম আকৃতির (১৫০গ্রাম) আলুর ত্বকে প্রায় ২৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন 'সি' আছে। এছাড়া আলুতে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি, ফলেট ও আয়রন আছে।

২. প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে আলু খাওয়া অনেক উপকারী কারণ এতে  রক্তচাপ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তবে মনে রাখতে হবে অতিরিক্ত আলু খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং শরীর মুটিয়ে যায়।

Friday, December 13, 2013

ফোড়া, ফুসকুড়ি, বিষফোড়া কি?প্রতিকারে করণীয়

ফোড়া, ফুসকুড়ি, বিষফোড়া কি
ফোড়া হলো ত্বক এবং এর নিচের অংশে সংক্রমণের কারণে তৈরি জমানো পুঁজ। শরীরে এখানে-সেখানে অনেকের ফোড়া হতে দেখা যায়, বিশেষ করে শিশুদের। ত্বকের নিচে প্রথমে সংক্রমণ হয়, চারপাশের ত্বক লালচে বা গোলাপি হয়ে ওঠে, ব্যথা হয় এবং স্পর্শেই ব্যথা বাড়ে। তারপরে এই  ফুলে ওঠা লালচে বা বাদামি বিষফোড়ার মধ্যে হলদে বা সাদাটে রঙের পুঁজ জমে, তখন চিকিৎসার ভাষায় একে অ্যাবসেস বলে।

ফোড়া যদি হয় তবে সাধারণ কয়েকটি পরামর্শ 

১। জীবাণুনাশক সাবান দিয়ে আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার করতে হবে।
২। একটা পরিষ্কার কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে, চিপে নিয়ে হালকাভাবে ফোড়ার ওপর সেকা দিতে হবে ফলে ফোড়াটি গলে যেতে পারে।

Wednesday, December 11, 2013

ভিটামিন বেশি খাওয়া কি নিরাপদ?

বর্তমান উন্নত বিশ্বের প্রায় ৮২ শতাংশ বয়স্ক নারী-পুরুষ বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন সম্পূরক বা বড়ি খেয়ে থাকেন। কিন্তু ভিটামিন বেশি খাওয়া কি নিরাপদ? আসুন জেনে নেয়া যাক এই বিষয় এ কিছু কথা !

ভিটামিন বেশি খাওয়া কি নিরাপদসাধারণত প্রায় সব ভিটামিনেরই একটি টক্সিক মাত্রা আছে। এই মাত্রার ওপর ভিটামিন সেবন ক্ষতিকর। সাধারণত কোনো দুর্ঘটনা ছাড়া এত বেশি মাত্রার ভিটামিন সেবন করা হয়ে ওঠে না। তার পরও শিশুদের ক্ষেত্রে অনেক সময় দুর্ঘটনাবশত অতিরিক্ত ভিটামিন খেয়ে ফেলাটা একেবারে বিরল নয়। তাই সব ধরনের ওষুধ অবশ্যই শিশুদের নাগালের বাইরে থাকতে হবে। এ ছাড়া বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁদের স্মৃতিভ্রম বা মানসিক সমস্যা আছে, তাঁরাও অনেক সময় ভুল করে অনেক বেশি মাত্রায় ভিটামিন বড়ি খেয়ে ফেলতে পারেন। দীর্ঘদিন ধরে অকারণে উচ্চমাত্রার ভিটামিন খাওয়া থেকেও বিপদ হতে পারে।

ভিটামিন এ: উচ্চমাত্রায় ভিটামিন এ সেবন গর্ভবতী নারীদের জন্য বিপজ্জনক। কেননা টক্সিক মাত্রায় ভিটামিন এ অনাগত শিশুর নানা ধরনের জন্মগত ত্রুটির কারণ হতে পারে। এ ছাড়া উচ্চমাত্রার ভিটামিন এ যকৃৎ, হাড় ও ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। দুর্ঘটনাবশত হঠাৎ বেশি ভিটামিন 'এ' খেয়ে ফেললে বমি, মাথাব্যথা, ত্বকের সমস্যা হতে পারে।

ভিটামিন বি: ভিটামিন বি কমপ্লেক্স স্নায়ু ভালো রাখতে সহায়তা বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু অতিরিক্ত ভিটামিন বি৬ নিজেই স্নায়ুর ক্ষতি করতে সক্ষম।
ভিটামিন

ভিটামিন সি: এক গ্রামের থেকে বেশি ভিটামিন সি একসঙ্গে খেয়ে ফেললে ডায়রিয়া হতে পারে। শিশুরা চুষে খাবার ভিটামিন সি লজেন্স বা চকলেট বেশি খেয়ে বিপদ ঘটাতে পারে।

ভিটামিন ডি: মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন ডি, বিশেষ করে কোলেক্যালসিফেরল রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

কিভাবে আলসারের জ্বালাতন থেকে মুক্তি পাবেন?

পাকস্থলীর ক্ষত
যখন পেটের আবরণ বা ক্ষুদ্রান্ত্র এর প্রথম অংশ ক্ষয় হতে শুরু হয় তখন পাকস্থলীর ক্ষত দেখা দেয় । সাধারণত যদি পাকস্থলীর ক্ষত নির্ণয় হয় তাহলে আপনার চিকিৎসা প্রদানকারী ব্যথা কমাতে antacids, এসিড ব্লকার বা এন্টিবায়োটিক প্রদান করে থাকে।আপনার ডাক্তার এর চিকিত্সা পরিকল্পনা ছাড়াও, আপনি ভবিষ্যতে আলসার বিস্তারণ প্রতিরোধ করতে কয়েকটি জিনিস আছে যা নিয়মিত করতে পারেন। কিভাবে আলসার এর জ্বালা এড়ানো যাবে এর জন্য, নিম্নলিখিত টিপস।


প্রদাহ বিরোধী ড্রাগ নেয়া নিরাপদ
  • কোন ধরনের প্রদাহ বিরোধী ড্রাগ নেয়া নিরাপদ তা জানতে হবে।
মদ্যপ এবং ক্যাফিনযুক্ত পানীয়ের ব্যবহার হ্রাস

  • মদ্যপ এবং ক্যাফিনযুক্ত পানীয়ের ব্যবহার হ্রাস করুন। গবেষণায় দেখা গেছে যে মদ্যপ এবং ক্যাফিনযুক্ত পানীয়ের কারণে পাকস্থলী এবং অন্ত্রের আবরণের জ্বালাতন বেড়ে যায় যার ফলে রক্তপাত এবং প্রদাহ হতে পারে। এছাড়াও এগুলো পেটে অ্যাসিড মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি করে যার কারণে অতিরিক্ত ব্যথা এবং অম্বল হতে পারে।

Saturday, December 7, 2013

প্রিয় মানুষকে আলিঙ্গনে স্বাস্থ্য উপকারিতা!

প্রিয় মানুষকে আলিঙ্গনে স্বাস্থ্য উপকারিতা!
যদি সকালটা শুরু করা যায় প্রিয়জনকে আলিঙ্গন করে ভেবে দেখুন তো! কেমন হতো তাহলে? দিনের শুরুতে একটি মিষ্টি আলিঙ্গন সারাদিন আপনাকে ভালোবাসায় আচ্ছন্ন করে রাখবে। আলিঙ্গনের মাধ্যমে ভালোবাসা প্রকাশ পায়, প্রিয়জনের প্রতি স্নেহ প্রকাশ করা হয়। এমনকি প্রিয়জন রেগে গেলে তার রাগ ভাঙ্গানোর সবথেকে শ্রেষ্ঠ উপায় হচ্ছে আলিঙ্গন। মা,বাবা,ভাই,বোন,প্রিয় মানুষটিকে আলিঙ্গন করার মাধ্যমে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ রাখা হয়। কিন্ত আলিঙ্গন শুধু ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ নয় এর রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। গবেষকদের মতে আলিঙ্গনের মাধ্যমে বিষণ্নতা, মানসিক চাপ, উত্তেজনা , উদ্বেগ এবং নিঃসঙ্গতা দূর হয়। আসুন জেনে নেয়া যাক আলিঙ্গনের কি কি স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।

মানসিক প্রশান্তি আনে

আলিঙ্গনের সময় ‘অক্সিটোসিন’ নামক একটি হরমোনের নিঃসরণ হয় যা বিষণ্ণতা, রাগ ও একাকীত্ব দূর করে মনে প্রশান্তি আনে। আলিঙ্গনের মাধ্যমে মানসিকভাবে মধ্যে আস্থা ও নিরাপত্তার খোঁজ পান দুজন মানুষ। এতে করে মানসিক বন্ধনের সৃষ্টি হয়। মন বুঝতে পারে যে সে একা নয়, তার সাথে অন্য কেউ আছে। তাই আলিঙ্গনে মানসিক স্বস্তি আসে।

Thursday, December 5, 2013

দাঁতসুস্থ ও সবল রাখার ৮ টি পরামর্শ


১। নিয়মিত সকালে নাস্তা খাবার পর ও রাতে শোবার পূর্বে  ব্রাশ করা।

২। সঠিক নিয়মে উপর-নীচ  করে দাঁত ব্রাশ করা। সামনে পিছনে ঘষে নয়।

৩। ব্রাশের পূর্বে ডেন্টাল Floss  ব্যবহার করা ।

৪। ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-সি Zn-সহ অন্যান্য পুষ্টিসম্পন্ন  শাকসবজি গ্রহণ করা।

৫। Soft Drinks, Chocolates ও অন্যান্য Fast Food ,মিষ্টি জাতিয় খাবার খাবারপর মুখ ভালভাবে ধুয়ে পরিষ্কার  করা।

কখন দাঁতের রুট ক্যানেল? কেন ?

দাঁতের রুট ক্যানেল
দাঁত কিছুটা ক্ষয় হলে বা ভেঙে গেলে ফিলিং করিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় আনা যায়। কিন্তু যদি মাত্রাতিরিক্ত ভেঙে যায় বা ক্ষয় হয়, বিশেষ করে পাল্পচেম্বার আক্রান্ত হয়ে স্নায়ুতেও প্রদাহ হয়, তখন রুট ক্যানেল চিকিৎসার দরকার হয়। দাঁতের ঠিক মধ্যভাগে থাকে পাল্পচেম্বার। এর ভেতরে থাকে দন্তমজ্জা, যেখানে রয়েছে স্নায়ু, শিরা-উপশিরা। রুট ক্যানেল চিকিৎসার মাধ্যমে দাঁতের ভেতরের স্নায়ুগুলোকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করা হয়। তারপর দাঁতটির ওপর একটি ক্রাউন বা মুকুট পরিয়ে দিয়ে আবার সুস্থ ও স্বাভাবিক করা হয়। অনেক সময় মাড়ির প্রদাহের কারণে দাঁতের ভিত্তি নষ্ট হয়ে গেলেও রুট ক্যানেল চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

বিভিন্ন দুর্ঘটনা বা আঘাতের কারণে মুখের সামনের দিকের ওপর বা নিচের পাটির দাঁতগুলো ভেঙে যেতে পারে। রুট ক্যানেল চিকিৎসার পর ওই দাঁতটির মাপ নিয়ে মুকুট বানিয়ে সিমেন্ট দিয়ে লাগিয়ে দেওয়া হয়। এতে বহু বছর দাঁতটি টিকে যাবে। তাই দন্তমজ্জা আক্রান্ত হলে দাঁতটি না ফেলে দিয়ে রুট ক্যানেল চিকিৎসায় সুস্থ করা সম্ভব।     
দন্ত বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল, prothom-alo

শরীরচর্চায় সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পায়


শরীরচর্চায় সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পায়

লিখতে বা পড়তে গিয়ে যখন কারো ভালো লাগে না, তখন তাঁকে একটু উঠতে হয়। হাঁটাহাঁটির মতো হালকা শরীরচর্চায় তাঁর সাময়িক স্থবিরতা (রাইটার্স ব্লক) কাটে। ফলে তিনি আবার লেখার সামর্থ্য বা সৃজনশীলতা ফিরে পান। এ ধরনের কথাকে কেবল প্রচলিত ধারণা বলে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ এখন আর নেই। কারণ, নিয়মিত শরীরচর্চায় মানুষের সৃজনশীলতা বৃদ্ধির পক্ষে বিজ্ঞানীরা যথেষ্ট জোরালো যুক্তি-প্রমাণ পেয়েছেন। 

Wednesday, December 4, 2013

খাবারের প্রকারভেদ ও পুষ্টি উপাদান

খাবারের প্রকারভেদ ও পুষ্টি উপাদান
একেক রকম খাবারে রয়েছে একেক রকম উপাদান। শরীরের বিভিন্ন পুষ্টি সঠিকভাবে পূরণ হলেই মানুষ থাকে সুস্থ আর কর্মক্ষম। খাবারের বিভিন্ন ভাগ আর পুষ্টিবিষয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ- আসফিয়া আজিম।

সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে হলে প্রতিটি মানুষেরই প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের খাবার একটি নির্দিষ্ট পরিমাপে বা পরিমাণে খাওয়া প্রয়োজন। খাবারের পরিমাপ বা পরিমাণ কমবেশি হলেই শরীরে ক্যালোরি ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের অভাব বা আধিক্য দেখা দেয়। ফলে দেখা দেয় অপুষ্টি বা ওজনাধিক্য।

পুষ্টিবিজ্ঞানে খাবারকে মূলত কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি ভাগ থেকে প্রতিদিন একজন মানুষের কী পরিমাণ খাবারের প্রয়োজন, তারও হিসাব করা আছে।

সে হিসেবে প্রতিটি খাবারের ভাগ বা ধরন থেকে আন্তর্জাতিকভাবে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবার গ্রহণের নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি খাবারের ধরনের জন্য নির্ধারণ করা পরিমাপকেই বলা হয়ে থাকে ‘সার্ভিং’ বা পরিবেশন।

Tuesday, December 3, 2013

ন্যাপকিনে ব্যবহারে কয়েকটি স্বাস্থ্যঝুঁকি


ন্যাপকিনে ব্যবহারে কয়েকটি স্বাস্থ্যঝুঁকি
বর্তমান সময়ে বাইরে বেড়ানো, কর্মস্থলে থাকা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস করতে যাওয়া, এবং আরো অনেক বৈষয়িক কাজে নারীদের ব্যস্ততা অনেক বেড়ে গেছে। যেখানেই থাকুন না কেন নারীদের পিরিয়ডকালীন সময়ে স্যানিটারি ন্যাপকিনই একমাত্র ভরসা।

তবে একটু সতর্ক আর সচেতন না হলে কিন্তু এই স্যানিটারি ন্যাপকিনই হতে পারে মৃত্যুর কারণও! আধুনিক নারীদের ক্ষেত্রে এই সতর্কতা আরো জরুরি।

কারণ বিশ্বব্যাপী ৭৫% নারীই পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে গোপনাঙ্গে চুলকানি, র‍্যাশ ও ব্যথা বোধ করেন আর অধিকাংশই হয়ে থাকে স্যানিটারি ন্যাপকিনের কারণে।

এনার্জি ড্রিংকস হতে সাবধান


এনার্জি ড্রিংকস হতে সাবধান
ক্যাফেইনে পরিপূর্ণ শক্তিবর্ধক পানীয় পানে হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন গবেষকরা।
জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ১৭ জনকে শক্তিবর্ধক পানীয় পান করানোর পর তাদের হৃদযন্ত্রের ছবি নেন।
গবেষণায় দেখা গেছে শক্তিবর্ধক পানীয় পানের পর তাদের হৃদস্পন্দন গতি অনেক বেড়ে যায় বলে বিবিসি জানিয়েছে।

গবেষক দলটি ‘দ্য রেডিওলজিক্যাল সোসাইটি অব নর্থ আমেরিকা’র বার্ষিক সম্মেলনে বলেন, শিশু ও পূর্ণ বয়স্ক মানুষের বেশ কিছু শারীরিক অবস্থায় এ ধরণের পানীয় পান পরিহার করা উচিত।

শাকসবজি’র উপকারিতা

শাকসবজি’র উপকারিতা
আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি অনেকখানি অংশ জুড়ে রয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আমরা সবজির গুণগত মান না জেনেই ভিটামিন ও খনিজ লবণ পাওয়ার জন্য খেয়ে থাকি। অথচ কোনো কোনো সবজি স্বাস্থ্যের ওপর ভালো-খারাপ দুটিরই প্রভাব বিদ্যমান থাকে। যদি জানা থাকে কোন কোন সবজি কী কাজে লাগে তাহলে খুবই ভালো হয়।

প্রত্যেহ তেতো সবজি করলা ও তেতো পাটশাক খাবারে রুচি বাড়ায় ও মেদ বৃদ্ধির আশঙ্কা কমায়। অনেক সময় নিমগাছের কচি পাতা ভেজেও খাওয়া হয়। এতে ত্বকের চুলকানি ও কৃমি রোধে উপকার পাওয়া যায়। খেতে বসে প্রথম ডিশ হিসেবে যদি তেতো খাওয়া হয়, তাহলে সেটা মুখে লালা ক্ষরণ করে শ্বেতসারকে ভাঙতে সাহায্য করে। এতে হজমের সুবিধা হয় ও লিভারও ভালো থাকে।

Monday, December 2, 2013

জেনে নিন : বেগুনের বিভিন্ন উপকারিতা

বেগুনের বিভিন্ন উপকারিতা
বর্তমানে শীত মৌসুমের শাক-সবজীতে ভরপুর বাংলাদেশের নিভৃত পল্লী, গ্রাম-গঞ্জ, শহর-নগর সর্বত্র। এসকল শাক-সবজীর মধ্য থেকে বেগুন অতি সুপরিচিত এবং সহজলভ্য একটি জিনিস। বাঙ্গালী বেগুনের ভর্তা থেকে শুরু করে কতভাবে যে বেগুনের ব্যবহার করে থাকে তা বলা মুশকিল। কিন্তু অনেকেই জানি না এই বেগুনের গুণাগুণ সম্পর্কে। যার কারণে, অনেকে বলেন, যার নেই কোন গুণ তার নাম বেগুন। কিন্তু গবেষকগণ প্রমাণ করেছেন, এটি শুধু একটি তরকারিই নয় বরং এতে রয়েছে রোগমুক্তিসহ বহু উপকারিতা। তবে আসুন, চট-জলদি এই বেগুনের গুণাগুণগুলো জেনে নেই।

বেগুন বাজারে দু’প্রকার দু’রঙের পাওয়া যায়। সাদা ও বেগুনী। বেগুনি বা কালো বেগুনের গুণ অনেক বেশী। বেগুন যত কচি হবে তাতে গুণ তত বেশী থাকবে। এ রকম কচি বেগুন খেলে শরীরের বল বৃদ্ধি পাবে। অত্যধিক বীজ যুক্ত বেগুন বিষের মত তিকর বলে মনে করা হয়।

সংস্কৃত শ্লোকেই আছে, ‘বৃন্তাকং বহু বীজাণাং বিষম্ বৃন্তাক’ অর্থাৎ বেগুন বেশী বীজ যুক্ত হলে বিষ।

এই শীতে চাই আর্দ্রতা

এই শীতে চাই আর্দ্রতা
শীতকালে প্রকৃতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমরা নিজেদের কিছু শারীরিক পরিবর্তনও টের পাই। এই সময়টায় ত্বকের আর্দ্রতা কমে যায়, চুল শুষ্ক হয়ে যায়, ঠোঁট ফেটে যায় ইত্যাদি। ত্বকের সঙ্গে মানানসই ক্রিম, তেল, সাবান, শ্যাম্পুর ব্যবহার, প্রয়োজনীয় খাদ্য গ্রহণ ও জীবনযাত্রার সামান্য পরিবর্তন আনার মাধ্যমে আমরা শীতকালেও শারীরিক এসব পরিবর্তনকে আমাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি।
এ সময়ে ক্রিম, সাবান যা-ই ব্যবহার করবেন, লক্ষ রাখবেন তা যেন বাড়তি আর্দ্রতাযুক্ত হয়। দিনে অন্তত দুবার ক্রিম ব্যবহার করবেন। আলফা হাইড্রক্সি বা ভিটামিন-ই যুক্ত ক্রিম ব্যবহার করা ভালো। গোসলের আগে শরীরে জলপাই তেল মাখতে পারেন অথবা গোসলের শেষে অল্প পানিতে কিছুটা জলপাই তেল দিয়ে গা ধুয়ে নিন। তারপর আলতো করে গা মুছে নেবেন।
অনেকের ধারণা শীতকালে সানস্ক্রিন প্রয়োজন হয় না। কেউ কেউ রোদ পোহাতে পছন্দ করেন। কিন্তু সূর্যের গামা রশ্মি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। গামা রশ্মি ত্বকে দ্রুত বলিরেখা তৈরি করে। ত্বকে উপযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে বার্ধক্যজনিত সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। রোদে বের হওয়ার আগে শীতকালেও সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন।

Sunday, December 1, 2013

অবসাদ কাটানোর উপায়


অবসাদ কাটানোর উপায়

নিজের সবচেয়ে প্রত্যাশিত বিষয়টিকে শত চেষ্টার পরও ধরে রাখতে না পারলে অনেকেই অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন। মানসিক এ অবস্থা থেকে মাথা ও বুকে চাপ অনুভূত হয়। জীবনকে এভাবে একটি অর্থহীন কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখাটা কি ঠিক?

এ অবসাদ কাটিয়ে ওঠার কিছু সহজ উপায় আছে। মনে হঠাৎ অবসাদ জেঁকে বসলে তাকে প্রশ্রয় না দিয়ে লম্বা শ্বাস নিন এবং যতক্ষণ সম্ভব ধরে রাখুন। এতে এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত স্বাভাবিক হওয়া সম্ভব। নিজেকে ব্যস্ত করে তুলুন। পড়াশোনার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। প্রয়োজনে দুই শিফটে কাজ করুন। এতে অবসাদকে সময় দেয়ার সময় তো থাকবেই না, বরং মন-মেজাজ চাঙা ও জীবন সফল হয়ে উঠবে।

Saturday, November 30, 2013

জেনে রাখা ভালো

আপনি কি সুস্বাস্থ্য নিয়ে ভাবছেন? সুস্বাস্থ্যের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয় না। একটু নিয়ম মেনে চললেই হয়। খাবার আগে হাত ধুয়ে নেওয়া। সমস্ত দিনজুড়ে আপনার খারাপ ও ভালো অভ্যাসগুলোর তালিকা করে ফেলুন। জীবন থেকে মুছে ফেলুন খারাপ অভ্যাসগুলো। স্বাস্থ্য অনুশীলন এখন মাত্র ৬০ সেকেন্ড এর ব্যাপার। আপনি চাইলেই পাল্টে দিতে পারেন আপনাকে। মাত্র কয়েকটি স্বাস্থ্য অনুশীলনই পাল্টে দিতে পারে আপনার স্বাস্থ্য। অর্জন করতে পারেন সুস্বাস্থ্য। যাপন করতে পারেন কাঙ্ক্ষিত জীবন। তবে জেনে নেই কয়েকটি স্বাস্থ্য অনুশীলন:

জুতাটি দরজার বাইরে খুলে রাখুন: সারাদিনের কাজ শেষে বাড়িতে ফেরার সময়ে যখন ক্লান্ত আপনি দরজার সামনে তখন মাত্র কয়েক সেকেন্ড আরও একটু বেশি খরচ করুন, আপনার জুতা দরজার বাইরে খুলে রাখার জন্য।

Friday, November 29, 2013

মাথা, ঘাড় ও স্তন ক্যানসার রোধে করলা

মাথা, ঘাড় ও স্তন ক্যানসার রোধে করলা
এখন থেকে প্রতিদিন খাবারের সাথে থাকুক করলা। কারণ ক্যানসার নিরাময়ের জন্য এটি বেশ সহায়ক। বিশেষ করে মাথা, ঘাড় ও স্তন ক্যানসার রোধে করলা খুবই উপকারী।